টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?

Updated: 5 months ago
  • আসাম
  • মণিপুর
  • নাগাল্যান্ড
  • মিজোরাম
8.3k
উত্তরঃ

টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে অবস্থিত।

টিপাইমুখ বাঁধটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে অবস্থিত এবং এটি বরাক নদীর ওপর নির্মিত একটি প্রস্তাবিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। বাঁধটি মণিপুরের চূড়াচাঁদপুর জেলায় অবস্থিত টিপাইমুখ নামক স্থানে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

সংগ্রহীত

বাঁধটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান সম্পর্কে নিম্নে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হলো:

অবস্থান:

মণিপুর রাজ্য:
টিপাইমুখ বাঁধটি ভারতের মণিপুর রাজ্যের চূড়াচাঁদপুর জেলায় অবস্থিত। মণিপুর উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি পার্বত্য রাজ্য, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্যময় জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত।

বরাক নদী:
বাঁধটি বরাক নদীর ওপর নির্মিত হওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বরাক নদী মণিপুরের হিমালয় পর্বতমালার পূর্বাংশ থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরবর্তীতে এই নদী মেঘালয় ও মিজোরামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে, যেখানে এটি সুরমা এবং কুশিয়ারা নদীতে বিভক্ত হয়।

চূড়াচাঁদপুর জেলা:
বাঁধের অবস্থান চূড়াচাঁদপুর জেলায়, যা মণিপুর রাজ্যের একটি পাহাড়ি জেলা। এই জেলা মিজোরাম রাজ্যের সীমানার খুব কাছাকাছি অবস্থিত, যা বাঁধটির কৌশলগত গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে।

বাঁধের মূল উদ্দেশ্য
টিপাইমুখ বাঁধের মূল লক্ষ্য ছিল জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, এবং সেচের সুবিধা প্রদান। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যা 1500 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

বিতর্ক এবং বিরোধিতা
তবে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিরোধিতা হয়েছে। বাঁধটির নির্মাণের ফলে বরাক নদীর পানির প্রবাহ পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, যা সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এতে সিলেট অঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি, এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। এছাড়াও, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও পরিবেশবিদদের মতে, বাঁধটি নির্মিত হলে মণিপুর ও মিজোরামের স্থানীয় জনগণের জীবিকা ও বাসস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতি
বাঁধটির নির্মাণ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পরিবেশগত, রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

এই কারণে, টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পটি এখনো একটি বিতর্কিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনার মূল কারণ হল এর সম্ভাব্য পরিবেশগত এবং সামাজিক প্রভাব, বিশেষ করে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট অঞ্চলে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রধান কারণ হলো:

১. পানি প্রবাহের প্রভাব

টিপাইমুখ বাঁধটি ভারতের বরাক নদীর উপর নির্মিত হওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যা পরে সুরমা এবং কুশিয়ারা নদী নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই নদীগুলির পানির প্রবাহ সিলেট অঞ্চলে কৃষি, মৎস্য, এবং পানির স্তরের ওপর নির্ভরশীল। টিপাইমুখ বাঁধের কারণে বরাক নদীর পানির প্রবাহ কমে যেতে পারে, যা বাংলাদেশে বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে খরা এবং পানির সংকট তৈরি করতে পারে।

২. পরিবেশগত প্রভাব

বাঁধের ফলে নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ পরিবর্তিত হলে তা স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সিলেট অঞ্চলের বনাঞ্চল, জলাভূমি, এবং হাওরগুলোতে পরিবেশগত ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যার ফলে মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর সংখ্যা কমে যেতে পারে।

৩. কৃষি ও অর্থনীতি

সিলেট অঞ্চলের একটি বড় অংশের কৃষি সুরমা এবং কুশিয়ারা নদীর পানির ওপর নির্ভরশীল। বাঁধের কারণে পানির প্রবাহ কমে গেলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এছাড়া হাওর এলাকাগুলির পানির স্তর কমে গেলে সেই অঞ্চলের ধান উৎপাদন ও মাছের চাষও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৪. বন্যার আশঙ্কা

বরাক নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণের ফলে বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং হঠাৎ করে বাঁধের পানি ছেড়ে দিলে তা বাংলাদেশের নিম্নাঞ্চলে মারাত্মক বন্যা সৃষ্টি করতে পারে। এতে মানুষের জীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

৫. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে পানির ন্যায্য বণ্টন একটি সংবেদনশীল বিষয়। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশের জনগণ এবং সরকার উদ্বিগ্ন ছিল যে, ভারতের একতরফা সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে জলবায়ু ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এটি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা তৈরি করে।

এই সব কারণে, টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পটি বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ সরকার এই প্রকল্পের বিষয়ে ভারতের সাথে বিভিন্ন সময় আলোচনা করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

টিপাইমুখ বাঁধের ফলে বাংলাদেশের বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে বন্যার সম্ভাবনা নিয়ে অনেক উদ্বেগ রয়েছে। এর কয়েকটি কারণ হলো:

১. বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়া:

বাঁধের পানির ধারণক্ষমতা সীমিত, তাই বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য হয়ে পানি ছেড়ে দিতে হতে পারে। এই পানি হঠাৎ করে ছেড়ে দিলে তা সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশের নিম্নাঞ্চলীয় এলাকায় প্রবাহিত হয়ে ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।

২. প্রাকৃতিক পানির প্রবাহে বিঘ্নতা:

নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ বাঁধের কারণে ব্যাহত হলে বর্ষাকালে পানির সঠিক নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এতে পানির স্তর হঠাৎ করে বেড়ে যায়, যা নিম্নাঞ্চলীয় এলাকায় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

৩. বাঁধের ব্যর্থতা বা ভেঙে যাওয়া:

যদি কোনো কারণে টিপাইমুখ বাঁধ ভেঙে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে বাঁধের পেছনে সঞ্চিত বিপুল পরিমাণ পানি একসঙ্গে নেমে আসতে পারে, যা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিরাট বন্যার সৃষ্টি করতে পারে। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং ধ্বংসাত্মক হতে পারে।

৪. বন্যার গভীরতা ও বিস্তৃতি:

বাঁধ থেকে হঠাৎ করে পানি ছেড়ে দিলে সিলেটসহ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাগুলিতে বন্যার পানি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে বন্যার গভীরতা এবং বিস্তৃতি বাড়বে, যার ফলে জনজীবন, কৃষি, এবং অবকাঠামোর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

৫. সামগ্রিক পরিবেশগত পরিবর্তন:

বাঁধ নির্মাণের ফলে নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহে পরিবর্তন আসবে, যা বাংলাদেশে নির্দিষ্ট অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত প্রভাব ফেলতে পারে। বন্যার মাত্রা, বন্যার সময়কাল, এবং পানির স্তরের পরিবর্তন বাংলাদেশের বন্যা-প্রবণ অঞ্চলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

টিপাইমুখ বাঁধের কারণে বাংলাদেশে সম্ভাব্য বন্যার ফলে যেসব এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলো প্রধানত সিলেট বিভাগের নিম্নাঞ্চলীয় এলাকা। নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো:

১. সিলেট জেলা:

সিলেট জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা, বিশেষত সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকা, প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এই অঞ্চলে হাওর এবং বিল এলাকাগুলো পানির স্তর বাড়লে দ্রুত প্লাবিত হতে পারে।

২. মৌলভীবাজার জেলা:

মৌলভীবাজার জেলার বেশ কিছু এলাকা, বিশেষ করে মনু নদীর তীরবর্তী অঞ্চল, টিপাইমুখ বাঁধের কারণে অতিরিক্ত পানির চাপের মুখে পড়তে পারে। বরাক নদীর পানি মৌলভীবাজার দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এই অঞ্চলে বন্যার সম্ভাবনা বেশি।

৩. হবিগঞ্জ জেলা:

হবিগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চল, বিশেষত যেসব এলাকা কুশিয়ারা নদীর কাছাকাছি অবস্থিত, সেসব এলাকায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে এই অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

৪. সুনামগঞ্জ জেলা:

সুনামগঞ্জ জেলা, বিশেষ করে হাওর অঞ্চল, প্লাবনের ঝুঁকিতে রয়েছে। হাওর এলাকার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেলে তা আশপাশের কৃষি জমি ও বসতবাড়িতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

৫. কিশোরগঞ্জ জেলা:

কিশোরগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চল, বিশেষত ইটনা, মিঠামইন, এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার হাওর অঞ্চল, টিপাইমুখ বাঁধের কারণে সৃষ্ট বন্যার সম্ভাব্য প্রভাবের মুখে রয়েছে।

সংক্ষেপে:

সিলেট বিভাগসহ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা, বিশেষত যেসব অঞ্চল সুরমা, কুশিয়ারা, এবং বরাক নদীর পানির ওপর নির্ভরশীল, সেগুলো টিপাইমুখ বাঁধের ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

উপসংহার:

 বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ সমন্বয়ের মাধ্যমে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে বন্যার ঝুঁকি হ্রাস করা যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও প্রভাব নিরূপণের চেষ্টা করছে।

  • ভারতের রাষ্ট্রীয় নাম Republic of India
  • রাজধানীঃ নয়াদিল্লি
  • ভাষাঃ হিন্দি, ইংলিশ
  • মুদ্রাঃ রুপি

মৌলিক তথ্য

ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। ভৌগোলিক আয়তনের বিচারে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র। ভারতের সীমান্তবর্তী দেশের সংখ্যা ৭টি যথা: বাংলাদেশ, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান, চীন ও আফগানিস্তান। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ আগস্ট ভারত ডোমিনিয়ন রাষ্ট্র হিসেবে ব্রিটিশ শাসনজাল থেকে মুক্তিলাভ করে । একই সঙ্গে দেশের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের মুসলমান-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলি লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিভক্ত হয়ে গঠ করে পাকিস্তান রাষ্ট্র। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি নতুন সংবিধান প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। বর্তমানে ভারত দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ওয়েস্টমিনিস্টার-ধাঁচের 'আধা-যুক্তরাষ্ট্রীয় সংসদ সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।

জেনে নিই

  • দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ - ভারত
  • ভারত স্বাধীন লাভ করে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
  • ভারত প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়- ১৯৫০ সালে।
  • ভারতের জাতীয় দিবস- ২৬ জানুয়ারী।
  • স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর ছিলেন- লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
  • পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ বলা হয়- ভারতকে।
  • ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে নয়াদিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয় ১৯১২।
  • ভারতের পার্লামেন্ট হচ্ছে -দ্বিকক্ষবিশিষ্ট; উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা, নিম্নকক্ষ লোকসভা।
  • ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভার নাম- বিধানসভা।
  • ভারতের লোকসভা মোট আসন- ৫৪৫ টি - ৫৪৩ টি নির্বাচিত, ২ টি সংরক্ষিত।
  • ভারতে প্রথম লোকসভা গঠিত হয়- ১৯৫২ সালে।
  • ভারতের মোট রাজ্য- ২৮টি। কেন্দ্রশাসিত রাজ্য- ৮টি। সর্বশেষ রাজ্য- তেলেঙ্গানা (২৮তম)।
  • ভারতের বিখ্যাত ‘আনন্দ ভাবনটি অবস্থিত- এলহাবাদে।
  • ভারতের গোলযোগপূর্ণ “অনন্তবার্গ শহরটি" কাশ্মীরে অবস্থিত।
  • ভারতের প্রথম মহিলা গভর্নর ছিলেন সরোজিনী নাইডু।
  • সরোজিনী নাইডু ভারতীয় কোকিল বা দ্য নাইটেঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত।
  • ভারতের রাজ্যস্থানের জয়শলমারী শহরকে গোল্ডর্সিটি বা স্বর্ণ শহর বলা হয়।
  • ভারতের বিখ্যাত 'তিনমূর্তি ভবনটি' নয়াদিল্লিতে অবস্থিত।
  • JKLF ভারতের কাশ্মীরের সশস্ত্র সংগঠন।
  • ঐতিহাসিক 'বাবরী মসজিদ' ভারতের অযোধ্যায় অবস্থিত (উত্তর প্রদেশ)।
  • বাবরী মসজিদ নির্মাণ করে সম্রাট বাবর ১৫২৭ সালে।
  • একটি উগ্র হিন্দু জঙ্গিগোষ্ঠী বারবী মসজিদ ধ্বংস করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ সালে।
  • ভারতের বৃহত্তম শিল্প- বস্ত্র শিল্প।
  • ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী মণিপুরে যে অভিযান চালায় তাকে অপারেশন ব্লু বার্ড বলে।
  • ব্ল্যাক ক্যাট হচ্ছে ভারতের কমান্ডো বাহিনী
  • ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর।
  • ভারত পাকিস্তানের মধ্যে মোট ৪ বার যুদ্ধ হয়- ১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১ ও ১৯৯৯ সালে।
  • কাশ্মীর নিয়ে ভারত- চীনের মধ্যে ১৯৬২ সালে একবার যুদ্ধ হয়েছে।
  • ভারতের কোন রাজ্য নিয়ে চিনের সাথে বিরোধ আছে- অরুণাচল।
  • বিতর্কিত 'সিয়াচেন হিমবাহ' জায়গাটি অবস্থিত- (ভারত-পকিস্তান) সীমান্তে।

আরও কিছু তথ্য

  • সর্বশেষ ভারতের কেন্দ্র শাসিত রাজ্য হচ্ছে হচ্ছে- জম্মু ও কাশ্মীর।
  • ভারতের সর্বশেষ ঘোষিত ৩টি রাজ্য হচ্ছে যথাক্রমে- উত্তরাঞ্চল, ঝারখন্ড এবং তেলেঙ্গানা।
  • তেলেঙ্গানা রাজ্যটি অন্ধপ্রদেশের অংশ ছিলো। তেলেঙ্গানার রাজধানী করা হয়- হায়দ্রাবাদ।
  • পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল অঞ্চল ভারতের চেরাপুঞ্জি (মেঘালয়) ।
  • ভারতের সিকিম রাজ্যের রাজধানীর- সাম গ্যাংকট।
  • ভূস্বর্গ বলা হয়- কাশ্মীরকে । হুগলী নদীর তীরে অবস্থিত- কলকাতা ।
  • ইলোরা ও অজান্তা গুহার অবস্থান- মহারাষ্ট্র রাজ্যে।
  • হিমালয়ের উদ্যান বলা হয়- সিকিমকে ।
  • গোলাপীর শহর নামে পরিচিত- জয়পুর।
  • জে. কে. এল. এফ কোথাকার সশস্ত্র সংগঠন- ভারতের কাশ্মীর।
  • আসামে বিচ্ছিন্নতাবাদী গেরিলা সংগঠনটির নাম হচ্ছে- উলফা।
  • ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন- ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
  • ভারতের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি ছিলেন প্রতিভা পাতিল (১২ তম)।
  • ভারতের ২য় নিবার্চিত ও ১ম দলিত সম্প্রদায়ের নারী রাষ্ট্রপতি হলেন- দ্রৌপদী মুর্মু (১৫ তম রাষ্ট্রপতি )
  • ভারতের প্রথম শিখ রাষ্ট্রপতির নাম- জৈল সিং।
  • ভারতের প্রথম শিখ প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং।
  • ভারতের সবচেয়ে সফল ও প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি- ড. জাকির হোসেন (তৃতীয় তম)।
  • বেফোর্স কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পরেন- রাজিব গান্ধী।
  • ২১ মে ১৯৯১ সালে একটি নির্বাচনী প্রচারকালে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন- রাজীব গান্ধী
  • রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী আত্মঘাতী LTTE এর সদস্য মহিলার নাম- নলিনী।
  • ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের নাম- এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং।
  • ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের নাম- নিরাপদ ভবন (নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক রোড ফোর্টে অবস্থিত নিরাপদ ভবন কিন্তু এর অফিসিয়াল নাম- পঞ্চবটী)

Related Question

View All
  • ৫১৩৮ কিঃমিঃ
  • ৪৩৭১ কিঃমিঃ
  • ৪১৫৬ কিঃমিঃ
  • ৩৯৭৮ কিঃমিঃ
423
  • খুলনা
  • সাতক্ষীরা
  • যশোর
  • রাজশাহী
462
  • ২টি
  • ৪টি
  • ৫টি
  • ৭টি
591
  • ২০টি
    0%
    0 votes
  • ২৫টি
    50%
    1 votes
  • ৩৫টি
    0%
    0 votes
  • ৩২টি
    50%
    1 votes
672
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই